দেশি মুরগি পালনে, মুরগিকে সুস্থ রাখার জন্য আমরা প্রায় সময় নানা রকমের ভিটামিন ও ঔষুধ দিয়ে থাকি। কিন্তু বর্তমান বাজার বিবেচনায় কোম্পানীগুলো ঔষুধের দাম যেভাবে বৃদ্ধি করে যাচ্ছে এতে করে খামারে লাভের পরিমাণ অনেক কমে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমরা যদি মুরগির রোগের প্রাকৃতিকভাবে চিকিৎসা করতে পারি, তাহলে কিছুটা লাভের মুখ দেখা যায়।
দেশি মুরগি
পালনে সব থেকে যে সমস্যা বেশি হয়, তা হচ্ছে মুরগির ঠান্ডা লাগা। এই ঠান্ডার কারণেই
দেশি মুরগির বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয় এবং অবশেষে মারা যায়।
আমি আমার দেশি
মুরগির খামারে, মুরগিকে ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে এবং সুস্থ রাখতে বিশেষ করে বর্ষা এবং শীতের
সময় আদা ও রসুন দিয়ে থাকি। এতে করে আলহামদুলিল্লাহ, আমার দেশি মুরগিগুলো অনেক সুস্থ
এবং রোগমুক্ত থাকে।
দেশি মুরগিকে
আদা ও রসুন কিভাবে খাওয়ায়?
পরিমাণ মত আদা
ও রসুন ব্লেন্ড করে পানির সাথে মিশিয়ে ফুটিয়ে নেয়া হয়। এরপর কুসুম গরম অবস্থায় সকালে
খেতে দেয়া হয়। এই পানি সারাদিন দেয়া হয়।
মনে রাখা প্রয়োজনঃ
- রাতে মুরগির পানি সরিয়ে নিতে হবে
- আদার পরিমাণ বেশি দেয়া যাবে না। নাহলে মুরগির পাতলা পায়খানা হবে।
আদার উপকারিতা
দেশি মুরগির জন্যঃ
আদা একটি খুব
ভাল ঔষধি হিসাবে পরিচিত। আদা এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই এবং বি কমপ্লেক্স। এটি ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সিলিকন, সোডিয়াম, আয়রন, দস্তা, ক্যালসিয়াম, বিটা
ক্যারোটিন জাতীয় খনিজ সমৃদ্ধ। এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। আদা
ঠান্ডা থেকে রক্ষা করতে খুব উপকারী এবং এতে অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুন
রয়েছে।
রসুনের উপকারিতা
দেশি মুরগির জন্যঃ
রসুনে আছে প্রাকৃতিক
এন্টিবায়োটিক, প্রোটিন, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,ভিটামিন,
রিবোফ্লাবিন,থায়ামিন। রসুন ক্ষুধামন্দা ভাব দূর করে, কৃমিনাশক, শ্বসনতন্ত্রের ও ঠান্ডার
রোগ নিরাময় করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
#দেশিমুরগি #দেশিমুরগিপালন #দেশিমুরগিখামার #দেশিমুরগিব্রিডার #দেশিমুরগিব্রিডারচট্টগ্রাম

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন