শখে হোক অথবা কমার্শিয়াল, যে উদ্দেশ্যে আপনি মুরগি পালন করেন না কেনো, মুরগিকে সুস্থ্য রাখতে হলে আপনাকে মুরগির থাকার ঘরকে মশা থেকে বাঁচাতে হবে। অন্যথায় আপনি মুরগি নিয়ে অনেক ঝামেলায় থাকবেন।
আমরা সবাই কম
বেশি মুরগির গুটি বসন্ত বা পক্স রোগের সাথে পরিচিত। এই রোগটি মূলত মশার কামড়ে বেশি
হয়ে থাকে। মশা থেকে যদি আপনি মুরগি ও বাচ্ছাকে বাঁচাতে না পারেন তাহলে এই পক্স রোগের
ঝামেলা আপনার পিছু ছাড়বে না।
মশা থেকে মুরগি
ও বাচ্ছাকে বাঁচাতে যে কাজগুলো করা যেতে পারেঃ
- মুরগি ও মুরগির বাচ্ছার থাকার ঘরকে মশারি দিয়ে আবদ্ধ করে ফেলা
- মুরগির ঘরের ফ্লোর বা মেঝে পরিষ্কার রাখা
- পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা।
- মাগরিবের আগে ধুব জালিয়ে দিয়ে মশা তাড়িয়ে দেয়া
- রাত ১০ টার দিকে মশার কয়েল জ্বালিয়ে দেয়া
যদি মুরগির
বাচ্ছার গুটি বসন্ত বা পক্স রোগ হয়ে যায় তাহলে করনীয়ঃ
নাপা ট্যাবলেট
৫০০ মি গ্রা (মানুষের) ৪ ভাগের ১ ভাগ এবং
রেনামাইসিন ট্যাবলেট (পশু পাখির) ৪ ভাগের ১ ভাগ নিয়ে সকালে ও বিকেলে ২ বেলা খাওয়াতে
হবে।
যদি বড় মুরগির
গুটি বসন্ত বা পক্স রোগ হয়ে যায় তাহলে করনীয়ঃ
নাপা ট্যাবলেট
৫০০ মি গ্রা (মানুষের) ২ ভাগের ১ ভাগ এবং
রেনামাইসিন ট্যাবলেট (পশু পাখির) ২ ভাগের ১ ভাগ নিয়ে সকালে ও বিকেলে ২ বেলা খাওয়াতে
হবে।
যদি মুরগি ও
বাচ্ছার চোখ ফুলে গিয়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে করণীয়ঃ
অনেক সময় মশার
কামড়ে মুরগির চোখ ফুলে গিয়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায় এবং এক ধরনের পানি বের হয়। এমতাবস্থায়,
তুলা বা কটন বার নিয়ে মুরগির চোখ পরিষ্কার করে দিতে হবে।
এর সাথে মুরগির
এবং মুরগির বাচ্ছার চোখের ভিতর জমে থাকা এক ধরনের সাদা ক্রিম জাতীয় পদার্থকে অভিজ্ঞ
কারো সাহায্য নিয়ে বের করে ফেলতে হবে। এটি বের না করলে মুরগির চোখের এই সমস্যা সমাধান
হবে না।
চোখের ময়লা
পরিষ্কার করার পরে সবার শেষে দিনে ২ বার করে সিভোডেক্স ভেট, এই চোখের ড্রপটি ২ ফোঁটা
করে দিনে ২ বার দিতে হবে।
#দেশিমুরগি #দেশিমুরগিপালন #দেশিমুরগিখামার #দেশিমুরগিব্রিডার #দেশিমুরগিব্রিডারচট্টগ্রাম

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন