দেশি মুরগির বাচ্ছা পালনে মুনাফা নির্ভর করে সঠিক ও কম খরচে খাবার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এবং একটি সুষ্ঠ খামার ব্যবস্থাপনা এনে দিতে পারে আপনার প্রত্যাশিত সাফল্য।
বর্তমান সময়ে অস্থির বাজারে রেডি ফিডের দামের যে অবস্থা এতে করে আমাদের মত দেশি মুরগির খামারিদের লাভের একটা মোটা অংশ ফিড কোম্পানি এবং দোকানদাররা নিয়ে যায়।
এমতাবস্থায়, আমি আমার দেশি মুরগির খামারে, খাবারের খরচ কমিয়ে আনার জন্য দিনের এক বেলা খাবারের মধ্যে ভেজা খাবার দিয়ে থাকি।
২ থেকে ৪ মাস বাড়ন্ত বয়সী দেশি মুরগির বাচ্চার ভেজা খাবারের জন্য আমি যে উপকরণগুলো ব্যবহার করি তা হলোঃ
- ধানের কুড়া
- চিংড়ি মাছের শুটকি গুড়া
- কমার্শিয়াল ফিড
- হলুদ গুড়া
- আদা ও রসুন বাটা
- লবণ ও পানি
দেশি মুরগির বাচ্ছার ভেজা খাবার কিভাবে বানায়?
বর্তমানে আমার খামারে প্রায় ২ মাস বয়সি ২৫ পিস দেশি মুরগির বাচ্ছা তৈরি করা হচ্ছে পেরেন্টস এর জন্য। উপরে উল্লিখিত উপকরণগুলো দিয়ে আমার দেশি মুরগির বাচ্ছার জন্য যেভাবে ভেজা খাবার বানায় তা হলোঃ
- ৩ কাপ ধানের কুড়া,
- ২ কাপ চিংড়ি মাছের শুটকি গুড়া,
- ১ কাপ কমার্শিয়াল ফিড,
- ১/২ চা চামচ হলুদের গুড়া,
- ১ চা চামচ আদা ও রসুন বাটা,
- ১/৪ চা চামচ লবন এবং
- পরিমাণ মত পানি।
এসব উপকরণগুলো সব এমনভাবে মিশানো হয় যেনো খাবার টি ভেজা থাকে এবং বেশি পানি না থাকে।
আলহামদুলিল্লাহ, আমার তৈরি করা এই ভেজা খাবার ব্যবহার করে দেশি মুরগির বাচ্ছাগুলো বেশ সুস্থ আছে, দৈহিক বৃদ্ধিও মাশাআল্লাহ, ১২ মাসেই ( গরম, বর্ষা, শীত ) রোগব্যাধি তেমন নাই বললেই চলে।
#দেশিমুরগি #দেশিমুরগিপালন #দেশিমুরগিখামার #দেশিমুরগিব্রিডার #দেশিমুরগিব্রিডারচট্টগ্রাম

ধন্যবাদ ভাই, এত সুন্দর করে তথ্যগুলো শেয়ার করার জন্য।
উত্তরমুছুন